• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৩ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু

ডিমলার রেস্ সঞ্চয় ও ঋনদান সমিতির পরিচালক গ্রেফতার

নীলফামারী প্রতিনিধি।। টাকা আত্মসাতের প্রচেষ্টা ও প্রতারণা মামলায় নীলফামারীর ডিমলা রেস্ ডায়াগনষ্টিক সেন্টার এবং রেস্ সঞ্চয় ঋনদান সমবায় সমিতি লিমিটেডের পরিচালক মহিকুল ইসলাম বাঁধন ডিমলায় গ্রেফতার হয়েছে।

সূত্রে জানা যায়, লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া, প্রতারণা ও আত্মসাতের মামলায় পলাতক থাকায় পরিচালক বাঁধনকে ৩০ অক্টোবর বুধবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ মাঠ থেকে গ্রেফতার করেন ডিমলা থানা পুলিশ। থানার উপ-পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) সঙ্গীয় ফোর্সসহ গোপন সংবাদের ভিক্তিতে পালিয়ে থাকা রেস ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের মালিক ও পরিচালক মহিকুল ইসলাম বাঁধনকে গ্রেফতার করেন।
মামলার বাদী বাঁধনের প্রতারণার শিকার মাহমুদুল ইসলাম জানান, ৩ মাসের কথা বলে কয়েক দফায় ৬ লাখ টাকা গ্রহন করেন রেস ডায়াগনোস্টিক সেন্টারের বিল্ডিং নির্মাণ করার কথা বলে। উক্ত প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হয়ে বিভিন্ন জনের কাছে বিভিন্ন উপায়ে কলা কৌশল খাঁটিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে অনেককেই সোনালী ব্যাংক, কৃষি ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংকের চেক প্রদান করেন। কিন্তু তিনি প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে এসব টাকা আত্মসাতের উদ্দেশ্যে সোনালী ব্যাংক ডিমলা শাখায় তার চলতি একাউন্টের হিসাবটি বন্ধ করেন। ফলে নগদায়নের জন্য চেক প্রদান করলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ হিসাবটি বন্ধ মর্মে ডিসঅনার স্লিপ প্রদান করেন। পরে পরিচালকের কাছে টাকা ফেরত চেয়ে এবং ব্যাংক হিসাব বন্ধের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোন টাকা ফেরত দিবেন না মর্মে জানিয়ে দেন।

এদিকে একই ভাবে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে আজগর আলীর পুত্র কসমেটিক ব্যবসায়ী ফজলুল হকের কাছে ৬ লাখ ২৭ হাজার টাকা গ্রহন করেন আত্মসাতের উদ্দেশ্যে। তিনি রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ডিমলা শাখায় একটি চেক প্রদান করেন। ফজলুল হক উক্ত চেক নগদায়নের জন্য ব্যাংকে উপস্থাপন করিলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ অপর্যাপ্ত তহবিল ও হিসাবটি বন্ধ মর্মে ডিসঅনার স্লিপ প্রদান করেন। একই ভাবে প্রতারিত হয়ে সাড়ে তিন লাখ টাকার দাবীতে কোর্টে বিপ্লব হোসেন চেক ডিস অনার মামলা দায়ের করেছেন বলেও খবর পাওয়া গেছে। এদিকে ডিমলা হাসপাতালের সিনিয়র স্টাপ নার্স অর্চনা রানীকে প্রতারিত করে টাকা নেন পরিচালক বাঁধন। নার্স অর্চনা রানী অভিযোগ করে বলেন, আমিও দীর্ঘদিন ধর ৫০ হাজার পাওনা টাকা উদ্ধারের চেষ্টা করছি কিন্তু তিনি আজকাল বলে পাশ কাটিয়ে যান।

ডিমলা থানার ওসি তদন্ত সোহেল রানা জানান, প্রতারণা মামালায় তাকে গ্রেফতার করে নীলফামারী কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ